জেলা প্রশাসন
left_menu_pic
Joomla Slide Menu by DART Creations
left_menu_footer
বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদ


যোগাযোগের তথ্য
ঠিকানা : উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয় বিয়ানীবাজার, সিলেট।
টেলিফোন :০৮২২৩-৫৬০৬৬


মুঠোফোন :০১৭১১৯৪০৭০২
ই-মেইল : এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।

 

সুব্রত কুমার দে

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

কার্যক্রম | পটভূমি | পরিচালনা পর্ষদ

এক নজরে উপজেলা

জনসংখ্যা

২১০৬৭৩(২০০১ এর আদম শুমারী অনুযায়ী)

জনসংখ্যার ঘনত্ব

৮৩৮

নির্বাচনী এলাকা

২৩৪-সিলেট

ইউনিয়ন

ইউনিয়ন ১০ টি

মৌজা

১৪৪ টি

সরকারী হাসপাতাল

০১ টি

স্বাস্থ্য কেন্দ্র/ ক্লিনিক

০৫টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ১৭টি

পোষ্ট অফিস

১৫ টি

নদ-নদী

ছোট-বড় ৩ টি

হাট-বাজার

২৬ টি

ব্যাংক

২৯ টি

উপরে

উপজেলার পটভূমি

বিয়ানীবাজার উপজেলা

•  নামকরণ :- বিয়ানীবাজার নামের নেপথ্যে এক জনশ্রুতি রয়েছে। আজকের এই পৌরসদর তখন ছিল গহীন জঙ্গল ও টিলা বেষ্টিত ভূমি। সিলেটের প্রথম রায় বাহাদুর হরেকৃষ্ণ রায় চৌধুরীর পুত্র কৃষ্ণ কিশোর পাল চৌধুরী এই জায়গায় একটি বাজার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই জায়গায় প্রতিদিন বিহানবেলা(সকালবেলা) হাট বসত। হিংস্র  জীবজন্তুদের ভয়ে লোকজন কেনাকাটা শেষে দিনের আলোয় যার যার আস্তানায় ফিরে যেতো।বিহানবেলা এই হাট বসতো বলে এই স্থানের নামকরণ করা হয় বিহানীবাজার অর্থ্যাৎ বিয়ানীবাজার।

•  ইতিহাস :- বিয়ানীবাজার এর নিদনপুর গ্রামের মশরফ আলীর বাড়িতে ১৩৯৯ বাংলায় মাটির স্ত্তপ খনন কালে ৬টি খন্ড ও একটি গজ চিহ্নিত তাম্র নির্মিত রাজকীয় ৭টি শীল পাওয়া যায়। এইসব প্রাপ্ত শিলালিপির মাধ্যমে ’ময়ুর শাশ্বল’ নামক ক্ষেত্রটি ব্রাহ্মণদের নিষ্কর দানের নির্দশন পাওয়া যায়। এই সব তাম্রপত্রে খোদিত ছিল কামরুপ অধিপতির রাজকীয় ঘোষণার প্রতিফলন। তৎকালীন স্থানীয় জমিদার পবিত্রনাথ দাস তাম্রশাসন গুলো সংগ্রহ করে কলকাতার যাদু ঘরে হস্তান্তর করেন।প্রত্নতাত্বিক নির্দশনের মধ্যে বিয়ানীবাজারে প্রাপ্ত এই তাম্রলিপি গুলো সবচেয়ে প্রাচীন। সিলেটের শেষ হিন্দু রাজা গৌড় গোবিন্দের রাজ্যবসানের পর্ব পর্যন্ত এই সিলেটের পঞ্চখন্ড অঞ্চল ধর্মপালের অধীনে পাল সম্রাজ্যভূক্ত ছিল। পাল বংশের বানারসী পাল খাসায় একটি সুবৃহৎ দীঘি খনন করেন যাহা বর্তমানে বারপালের দীঘি নামে পরিচিত। এই পঞ্চখন্ডের প্রাচীন নাম ছিল চন্দ্রপুর বিষয় প্রায় ১শ’বছর পর পাল সাম্রাজের অবসান ঘটে। হযরত শাহজালাল (র:) এর সিলেট বিজয়ের (১৩০৩ খৃ:) পর এই জনপদ মুসলিম শাসনের আওতাভূক্ত হয়।বর্তমানে ঢাকার যাদুঘরে রক্ষিত সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের আমলে অর্থ্যাৎ ১৫১২ খৃষ্টাব্দের একটি শিলালিপিতে শাহজালাল(র:) এর সিলেট বিজয়ের তারিখ খোদাই (খনন) করা রয়েছে। সিলেট বিজয় পরবর্তী হযরত শাহজালাল তার সফর সঙ্গী(সিলেটের হায়দার গাজী নামে পরিচিত) নূরুল হুদা আবুল কেরামত সাঈদী হোসেনীর উপর এ জেলার শাসনভার অর্পন করেন। এ সময় হযরত শাহজালালের অন্যতম সফর সঙ্গী খাজা আদিনা (র:)সঙ্গীদের নিয়ে ইসলাম প্রচারের জন্য পঞ্চখন্ডে আসেন। যার সমাধি বিয়ানীবাজারের চারখাই আদিনাবাদে অবস্থিত। সেই থেকে পঞ্চখন্ড অঞ্চলে ইসলাম ধর্ম প্রচারের প্রভাব পড়েএবং দিনদিন তা জনপ্রিয়তা লাভ করে। ৩৬০ আউলিয়ার সফরসঙ্গীদের আগমন ও পঞ্চখন্ডের বিভিন্ন স্থানে বহু অলি দরবেশের মাজার ইসলাম প্রচারের স্বাক্ষর বহন করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এতদঞ্চল ইসলাম প্রচারের মধ্য দিয়ে মুসলিম সভ্যতায় বিকশিত হয়।

• ভৌগলিক অবস্থান :- এ উপজেলার উত্তরে কানাইঘাট, পূর্বে জকিগঞ্জ ও ভারত দক্ষিণে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলা এবং পশ্চিমে গোলাপগঞ্জ উপজেলা। সিলেট জেলা সদর থেকে বিয়ানীবাজার উপজেলার দূরত্ব প্রায় ৫১ কিলোমিটার।
উপরে

পরিচালনা পর্ষ

নং

নাম

পদবী

জনাব আব্দুল খালিক মায়ন

চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বিয়ানীবাজার, সিলেট

জনাব আবুল কাশেম পল্লব

ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বিয়ানীবাজার, সিলেট

মিসেস রুমা চক্রবর্তী

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বিয়ানীবাজার, সিলেট

পজেলার কার্যক্রম

উপজেলা পরিষদ কার্যক্রম ও নাগরিক সেবা সমূহঃ

০১) পাচঁসালা ও বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরী করা।

০২) পরিষদের নিকট হস্তান্তরিত বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং উক্ত দপ্তরের কাজ কর্মসমূহের তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করা।

০৩) আন্তঃ ইউনিয়ন সংযোগকারী রাস্তা নির্মাণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।

০৪) ভূ-উপরিস্থ পানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের নির্দেশনা অনুসারে উপজেলা পরিষদ ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

০৫) জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিতকরণ।

০৬) স্যানিটেশন ও পয়ঃ নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি সাধন এবং সুপেয় পানীয় জলের সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণ।

০৭)(ক) উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রসারের জন্য উদ্ধুদ্ধকরণ এবং সহায়তা প্রদান ;

(খ) মাধ্যমিক শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রমের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গুলির কার্যক্রম তদারকী ও উহাদিগকে সহায়তা প্রদান।

০৮) কুঠির ও ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন ও বিকাশের লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ।

০৯) সমবায় সমিতি ও বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের কাজ সহায়তা প্রদান এবং উহাদের কাজের সমন্বয় সাধন।

১০) মহিলা, শিশু, সমাজকল্যাণ এবং যুব, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান এবং বাস্তবায়ন করা।

১১) কৃষি, গবাদি পশু, মৎস্য এবং বনজ সম্পদ উন্নয়নে কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

১২) উপজেলায় আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ পুলিশ বিভাগের কার্যক্রম আলোচনা এবং নিয়মিত ভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ।

১৩) আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র বিমোচনের জন্য নিজ উদ্যোগে কর্মসূচী গ্রহণ, বাস্তবায়ন এবং এতদসম্পর্কে সরকারী কর্মসূচী বাস্তবায়নে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।

১৪) ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন এবং পরীক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।

১৫) নারী ও শিশু নির্যাতন ইত্যাদি অপরাধ সংঘঠিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গ্রহণ।

১৬) সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতি, চোরাচালান, মাদক দ্রব্য ব্যবহার ইত্যাদি অপরাধ সংঘঠিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গ্রহণ।

১৭) পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সামাজিক বনায়নসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ।

১৮) সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রদত্ত অন্যান্য কার্যাবলী।


উপরে